মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি

ভারতের কোচবিহার রাজ্যের সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকলেও মুলত রংপুর জেলার অধিনস্থ উত্তর সীমান্তে অবস্থান ছিল। শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য উনবিংশ শতাব্দীর পূর্ব ভাগে  একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপিত হয়েছিল। ১৩০৪ বঙ্গাব্দে বেঙ্গল ডুয়ার্স রেলপথ (বিডিআর) প্রতিষ্ঠিত হলে অপেক্ষাকৃত ভাল যোগাযোগের প্রয়োজনে স্থানান্তরিত করা হয়।

 

 

১৭৯৩ খ্রীষ্টাব্দে ১২নং রেগুলেশন অনুযায়ী রংপুর জেলা ২১টি থানা নিয়ে সৃষ্টি হয়, তার মধ্যে বর্তমান,হাতীবান্ধা ,কালীগঞ্জ ও আদিতমারী অঞ্চল নিয়ে ফুরুনবাড়ী থানা গঠিত ছিল।

 

বুকাননের সার্ভে রিপোর্টে (১৮০৯-১৬) সে সময় রংপুর জেলা (জলপাইগুড়িসহ) ২৪টি থানায় বিভক্ত ছিল এবং এ থানার আয়তন ছিল ১৮০ বর্গ মাইল। ধারণা করা হয়, হাতীবান্ধা,কালীগঞ্জ এবং আদিতমারী থানার বহু অংশ সে সময়ের সীমানার বাইরে ছিল। কারণ বর্তমানে উক্ত ৩টি থানার সীমানা আদিতমারী- ৭৫ বর্গমাইল, কালীগঞ্জ- ৯২ বর্গমাইল এবং হাতীবান্ধা- ১১২ বর্গমাইল, মোট ২৭৯ বর্গমাইল।

 

রংপুর জেলার ভবানীগঞ্জ(গাইবান্ধা) তিনটি থানার সমন্বয়ে গাইবান্ধা, গোবিন্দগঞ্জ ও সুন্দরগঞ্জ নিয়ে ১৮৫৭ সালে মহকুমা সৃষ্টি হয়। বাকী থানাগুলে জেলা-সদর মহকুমার অšতর্ভুক্ত ছিল। ১৮৭৫ সালে সদর মহকুমাকে ২টি মহকুমায় (রংপুর সদর ও নীলফামারী) বিভক্ত করলে নতুন ভাবে থানা বিন্যাসে ৫টি থানা নিয়ে রংপুর সদর মহকুমার আয়তন দাড়ায় ১১৪১ বর্গমাইল। তখন বর্তমান কালীগঞ্জ বা সে সময়ের ফুরুনবাড়ী আয়তন হয় ২৩৫ বর্গমাইল।

 

এ থানার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে তিস্তা দনী এ নদীটি এখানকার একটি জনপীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন উতসবে তিস্তা ব্যারেজে অনেক দর্শনার্থী  ঘুরতে আসে।

 

১৯১৩ সালে হাতীবান্ধা থানা সৃষ্টির পূর্ব পর্যšত কালীগঞ্জ থানা রংপুর জেলার সর্ব উত্তরে অবস্থিত সীমাšতবর্তী থানা হিসেবে পরিচিত ছিল।

 

 


Share with :

Facebook Twitter